

আপাত অযত্নে পড়ে থাকা দেশজ সম্পদের পুনরুদ্ধার ও যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য ২০১৭ সালে মোঃ হামিদুল হক নিজ পৈত্রিক নিবাস ছেড়ে দিয়ে উক্ত স্থানে তৈরি করেন “আইডিয়া পিঠা পার্ক” যেখান থেকে শতাধিক শিক্ষার্থী স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে এবং নিজেদের পাশাপাশি বেকার যুবসমাজের জন্যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। 'পিঠা বাংলার ঐতিহ্য, পিঠা হোক বাংলাদেশের জাতীয় খাবার' এই স্লোগানে একাধিক শিক্ষার্থী উদ্যোক্তা হয়েছে ইতিমধ্যেই। এছাড়াও পিঠার অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও বিপুল। সে লক্ষ্যেই কাজ করে চলেছে আইডিয়া পিঠা পার্ক।

আমাদের ঐতিহ্যবাহী পিঠা তৈরি, পরিচিতি ও বিপণন পরিচালনায় নিয়োজিত টিম

প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা

কোর্ডিনেটর ও হেড অফ মার্কেটিং, আইডিয়া পিঠা পার্ক

সাবেক কোর্ডিনেটর ও হেড অফ প্রোডাকশন, আইডিয়া পিঠা পার্ক

হেড অফ অ্যাকাউন্টস, আইডিয়া পিঠা পার্ক

হেড অফ অনলাইন মার্কেটিং, আইডিয়া পিঠা পার্ক
Lives Transformed
Workshops
Cities
Satisfaction Rate
পিঠা পার্কের পথচলা শুধু একটি ব্যবসার গল্প নয়—এটি বাংলার পিঠা, লোকজ সংস্কৃতি ও শেকড়ের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এবং পিঠাকে বিশ্ব দরবারে সমাদৃত করার এক নিরন্তর প্রয়াস।
শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির একটি অনন্য প্রকল্প

শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত বিকল্প কর্মসংস্থান

শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত বিকল্প কর্মসংস্থান
অর্ডারের জন্য যোগাযোগ করুন
Our Online and Offline Activities

আইডিয়া পিঠা পার্ক থেকে অর্জিত মুনাফার এক পঞ্চমাংশ সমাজকল্যাণমূলক কর্মকান্ডে ব্যয় করা হয়। আইডিয়া ফ্রাইডে মিল, আইডিয়া লস প্রজেক্ট সহ আইডিয়া সমাজকল্যাণ সংস্থার নানাবিধ সমাজকল্যাণমূলক কর্মকান্ডে আইডিয়া পিঠা পার্কের সরাসরি অবদান আছে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী ও বিলুপ্তপ্রায় পিঠাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে নিয়মিত পিঠা মেলার আয়োজন করা হয়। এটি শুধু খাবারের আয়োজন নয়, বরং বাঙালির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকজ খাদ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করার একটি উদ্যোগ।

যশোর পৌর কমিউনিটি সেন্টারে আইডিয়া পিঠা পার্কের উদ্যোক্তাদের তৈরি ভ্রাম্যমান পিঠার গাড়ি অবস্থিত।

খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহে নিয়োজিত গাছিদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাদের পেশা, দক্ষতা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে

লোকজ সংস্কৃতি, গ্রামীণ জীবন, ঐতিহ্য এবং সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক নাটক মঞ্চস্থ করা হয়। বিনোদনের পাশাপাশি দর্শকদের মধ্যে সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের চর্চা গড়ে তোলাই এর উদ্দেশ্য।

বাংলার উৎসব ও আনন্দ-ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে মেহেদি উৎসবের আয়োজন করা হয়। মেহেদি আঁকা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও লোকজ আয়োজনের মাধ্যমে পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করা হয়।

প্রতি বছর দেশীয় সংস্কৃতি ও পিঠার ঐতিহ্যকে উদযাপন করতে বৃহৎ পরিসরে পিঠা পার্বণের আয়োজন করা হয়। এতে পিঠা প্রদর্শনী, প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন লোকজ আয়োজন থাকে।

নান্দনিক পিঠার ডালা তৈরি করে আইডিয়া পিঠা পার্ক। এই ডালা হয়ে উঠেছে সাংস্কৃতিক সম্মাননার এক অনন্যসাধারণ প্রতীক।
আমাদের কার্যক্রমের ঝলক








বাংলার হারানো প্রায় ঐতিহ্য কে পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে এর অর্থনৈতিক উৎকর্ষ সাধন করা
প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থান তৈরী ও নারী উদ্যোক্তা
দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও বাংলার ঐতিহ্য পিঠা কে রপ্তানির মাধ্যমে অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উভয় অঙ্গণে ভূমিকা রাখা।
সফল উদ্যোক্তাদের গল্প
"চাকরি করবো না দেবো এটাই আমাদের লক্ষ্য"
সোমা খাতুন
উদ্যোক্তা, আইডিয়া পিঠা পার্ক
"আমাদের নিজেদের স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি পিঠা পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে প্রায় দেড়শত শিক্ষার্থীর"
জান্নাতুল ফেরদৌস
উদ্যোক্তা, আইডিয়া পিঠা পার্ক